লেখার ঝাঁপি

আমার সব রকমের  আবোল-তাবোল লিখালিখি এই পৃষ্ঠায় প্রকাশিতঃ 

০১.

সবুজের গালিচা মাড়িয়ে,
এগিয়ে যাবো সামনের দিকে।
বিবর্ণ কিংবা রাঙ্গানো ভবিষ্যৎকে-
আলিঙ্গন করার দৃঢ় প্রত্যয়ে!

-একজন আরমান

০২.

বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে,
ভাবি আমি আনমনে,
বড় বেশি ভালোবাসি-
শুধু যে তোমাকে।।

-একজন আরমান
২৩/০৩/২০১৩
রাত ০৯:০৩:১৭

০৩.

তোমার চোখে বিষ,
কিন্তু-
আমার চোখে ভালোবাসা !

-একজন আরমান
০৪/০৫/২০১৩
রাত ১০:৪০:৩৩

০৪.

জলের মাঝে তোমার ছায়া এখন আর খুঁজে ফিরি না,
জলগুলো আগের চেয়ে এখন বড্ড বেশি ঘোলাটে !

-একজন আরমান
০৪/০৫/২০১৩
দুপুর ০১:৪০:১৯

০৫. 

নিয়নের আলো লাগে না যে ভালো,
তুমি ছাড়া ধূসর বিবর্ণ এ রাত !

০৬. (লজিক)

কিছু জিনিসের উপর কখনো কোন লজিক খাটে না। শুধু বিশ্বাস করতে হয় ! হ্যাঁ বিশ্বাস !!
আমরা জন্মের পর কি আমরা জানি যে কে আমাদের মা আর কে বাবা? জানিনা। তবু বড়রা আমাদেরকে যাকে দেখিয়ে মা বলতে শিখায় তাকেই আমরা মা বলি, আর যাকে দেখিয়ে বাবা বলতে শিখায় তাকেই আমরা বাবা বলতে শিখি !!!
আমরা কি তখন ডিএনএ টেস্ট করে শিওর হয়ে তারপর বাবা-মা ডাকি?
না।
শুধু বিশ্বাস করি !
তবে সেই বিশ্বাসের পেছনে আরেকটা ফ্যাক্টর কাজ করে।
সেটা হল ভালোবাসা !
তাদের ভালোবাসা আমাদেরকে বিশ্বাস করায় যে এরাই হল আমাদের বাবা-মা। কারণ বাবা-মা’ ই সন্তানকে এইরকম ভালোবাসতে পারে।

তাহলে কি দাঁড়ালো?
বিশ্বাস ও ভালোবাসা একে অপরের পরিপূরক !!!

০৭. 

নস্ট মানুষ, নস্ট সময়, নস্ট জায়গা,
তবু বেঁচে থাকার কি নিদারুন প্রচেষ্টা !

০৮. 

চেয়ে থাকা নতুন কোন সময়ের জন্য,
কিংবা –
অসহ্য কোন যন্ত্রনা থেকে মুক্তির জন্য !
ফলাফল ? !
অবশ্যই অনিশ্চিত !
ভবিষ্যৎ বলে কথা !
ভবিষ্যৎ নাকি সর্বদাই অনিশ্চিত !

০৯. (চিঠি)

প্রিয়তমা,
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাকাব্য পড়ে শোনাতে চাই এখন। শুনবে কি?
-“ভালোবাসি ! ”
তোমার জন্য এই মহাকাব্য আমি প্রতিদিন পাঠ করি !

ইতি,
আমি।

১০. (চিঠি)

প্রিয়তমা,
পত্রের পেরথমেই তোমারে এক ডজন প্রান ললিপপ আর চুক্কা আমের ভালোবাসা। আশা করি যম্মের মতো ভালো আছো। আর হ্যা তো থাকপাই। খরগোশের ছাও পাইয়া তো মোরে এক্কারে ভুইল্লাই গেছো। হেইর পেইন্নে এহন তো আগের লাহান এট্টু মিসকলও দেও না। মিসকল দেতে কি টাহা লাগে নাহি? হ্যারপরও তো দেও না। মুই তো তোমারে ছাড়া চোক্ষে খালি আন্ধার দেহি। পাওয়ারআলা চশমা পইররাও আন্ধার আর আন্ধার। তুমি মোর আন্ধার ঘরে চান্দের আলো থুক্কু সিএফএল বাল্বের আলো। তোমারে থুইয়া তো মুই ঠিক মতো কামও হরতারি না। খালি ফার্মের মুকড়ার লাহান ঝিমাই আর ঝিমাই।

বেইন্নাকালে হেই রুডি খাইয়া আইছি এহনতুরি আর কিছু খাই নাই। তোমারে থুইয়া খাইতে কি ভালো লাগে কও দেহি? আর যে কয় কাপ চা খাইছি হ্যাও মিডা লাগে না। তুমি ছাড়া মোর সব খালি তিতা আর তিতা লাগে। আরও অনেক কতা কওয়ার আছেলে, কিন্তু সব কতা কি লেইক্কা বুঝান যায়? তোমারে লইয়া কিছু লেকতে গেলে সাগরের হমান কালি লাগবে এইরহম চাপা মুই মারমু না। কিন্তু হয় এইডা ঠিক তুমি ধারে না থাকলে মোর দিলডা খালি ছ্যাঁত ছ্যাঁত কইররা ওডে।

যাই হউক অনেক কতা কইয়া হালাইছি। বাকি কতা পড়ে কমু হানে। ভালো থাইক্কো আর মিসকল দিও। টাহা তো তোমার বাপে দেবে না, মুই ই দিমু। ফাও টেনশন লওনের কাম নাই।

ইতি,
তোমার প্রানপ্রিয় জানের জান পরানের পরান আরমান।

#বরিশাইল্লা_চিঠি

১১. (লজিক)

সুখের সংজ্ঞাটা আপেক্ষিক। ধরুন আপনি ১০০ টাকা আয় করতে চান কিন্তু আয় করেন ৮০ টাকা। এখানে আপনার প্রত্যাশা তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যার্থ, তার মানে আপনি অসুখী। আবার ধরুন আপনি ১০০ টাকা আয় করতে চান কিন্তু আয় করেন ১২০ টাকা। এখানে আপনার প্রত্যাশা তার লক্ষ্য অর্জনকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে, তার মানে আপনি সুখী।

১২. (চিঠি)

শ্রদ্ধাভাজনেষু মা,

আশা করি ভালো আছো। অনেক দিন অনেক কথা বললেও কিছু কথা বলি না কখনো। কারণ তাতে হয়তো তোমার দুঃখটা বেড়ে যাবে তাই। তোমাকে ঢাকা এসে থাকতে বলেছিলাম শুধু একবার। এরপর আর বলা হয়নি কারণ, একান্নবর্তী পরিবারের কিছু বাধ্য বাধকতা থাকে। তুমি চাইলেও সেই নিয়ম ভাঙতে পারবে না।

প্রতিদিন সকালে এক ঘেয়ে পরোটা-ডিম খেয়ে খেয়ে খুব বিরক্ত লাগে মাঝে মাঝে। খুব মিস করি তোমার হাতের সেই আলু-ভাজি-রুটি কিংবা ডিম আর পরোটা অথবা শীতের কোন এক সকালে তৈরি পিঠা। সেই সকাল হলেই ডাকাডাকি শুরু করে দিতে। বলতে তোমাদের জন্য একদিনে তিনবার নাস্তা বানাতে পারবো না। এক একজন এক এক সময় নাস্তা করবে আর আমি প্রতিবার রান্না ঘরে গিয়ে নাস্তা বানাতে পারবো না। খুব কষ্ট হতো তখন সকালে উঠে নাস্তা করতে। মাঝে মাঝে বিরক্তও লাগতো খুব। কিন্তু জানো মা এখন আমি অনেক কিছুতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। এখন আমি খুব সকালে উঠি। তোমাকে আর কষ্ট করে ডাকতে হয় না। মোবাইলের এলার্মেই ঘুম ভাঙ্গে এখন আমার। আমি আর গরম নাস্তা খেতে চাই না। তোমার হাতের নাস্তা ঠান্ডা হলেও তার স্বাদ পেতে চাই।

আমি জানি যদি এই চিঠি আমি পোষ্ট করি তবে তুমি হয়তো একান্নবর্তী পরিবারের নিয়ম ভেঙ্গে আবার ঢাকা আসতে চাইবে। আমি এতোটা স্বার্থপর এখনও হইনি না। আমি এখন বৃহৎ স্বার্থে ক্ষুদ্র ত্যাগ করতে শিখেছি। তাই বরাবরের মতো আমার এই চিঠিটাও তোমার কাছে পোষ্ট করবো না। শুধু মন খারাপকে প্রকাশ করতেই এই চিঠি লেখা। এটা হয়তো আমার ড্রয়ারেই পরে থাকবে। ভালো থেকো। বিপি’র ওষুধ ঠিক মতো খেও।

ইতি,
আরমান।

আবোল তাবোল

০১

I don’t need anybody who can stay with me for sometime and give me some beautiful moments, rather i need someone who will stay with me till my last breath and share her happiness and sorrows both with me.

০২

মধ্যরাতে আমার লাইটারের অনল যেমন নিভু নিভু করে দুপ করে নিভে গেল, জীবনটাও এর ব্যাতিক্রম নয়। যে কোন সময় দুপ করে নিভে যাবে !

০৩

দুঃসাহসী স্বপ্নচারী
বিষাদের স্বপ্নডানায় ভর করে
উড়ে চলে অজানা গন্তব্যে !

০৪

জীবন এক রঙ্গ মঞ্চ
তুমি অভিনেত্রি
আর আমি মুগ্ধ দর্শক !

০৫

তোমায় নিয়ে খেলবে
এমন দুঃসাহস কার?
নারী তুমি ছলনাময়ী
সব কিছু করে দাও
জ্বেলে পুড়ে ছাড়খার।

০৬

তোমার চোখের কাজল,
তোমার ঠোঁটের লিপস্টিক,
তোমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে
আমার অস্তিত্ব বিদ্যমান !

০৭

জ্বর যখন তীব্র
তখন তোর
ভালোবাসার প্যারাসিটামলের
তীব্রতর ডোজ চাই !

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s